স্থানীয় বাসিন্দা প্রবীণ রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, জলাবদ্ধতায় কয়েক বছর ধরে কষ্ট পাচ্ছেন। তবে এবার কাজের গতি দেখে আশাবাদী। প্রচুর কাজ চলছে। কাজের গতিও অনেক বেশি। তাই জলাবদ্ধতা কম হবে বলে ধারণা।
নগরের পানিপ্রবাহের মূল মাধ্যম বলা হয় চাক্তাই খাল। বহদ্দারহাট থেকে শুরু হওয়া এই খাল বিভিন্ন এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদীতে যুক্ত হয়েছে। বহদ্দারহাট থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত খালে ময়লা–আবর্জনা নেই। একই অবস্থা ডিসি সড়কের পাশেও। আর চকবাজারের ধুনির পুল এলাকায় চলছে প্রতিরোধ দেয়ালের কাজ। এ জন্য খাল ভরাট করা হয়েছে।
প্রবর্তক মোড়, কাতালগঞ্জ ও পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার খাল পরিষ্কার দেখা গেলেও চকবাজারে হিজড়া খালে ময়লা-আবর্জনা ও প্লাস্টিক, কর্কশিটেভর্তি।
স্থানীয় বাসিন্দা সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ময়লা–আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার করা হলেও অল্প সময়ের মধ্যে তা আবার ভরাট হয়ে যায়। আর বর্ষার সময় এখানে কোমরসমান পানি হয়। এবার কী হবে, তা এখনো বুঝতে পারছেন না।
সিডিএর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফেরদৌস আহমেদ বলেন, প্রকল্পের আওতায় থাকা খালগুলো আবার আবার পরিষ্কার করা হচ্ছে। নালা ও খাল সম্প্রসারণের কাজও চলছে সমানতালে। নগরবাসী যাতে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে রেহাই পান, সে জন্য তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।